সোশ্যাল মিডিয়া কি? সোশ্যাল মিডিয়ার ইতিহাস

সোশ্যাল মিডিয়া কি? সোশ্যাল মিডিয়ার ইতিহাস

আসসালামু আলাইকুম, ফ্রেন্ড’স আইটি পয়েন্ট (FriendsITpoint) এর পক্ষ থেকে আপনাকে স্বাগতম। পূর্ববর্তী পোস্টে আমরা অনলাইন ইনকাম এর সেরা ২০ টি উপায় সম্পর্কে জেনেছিলাম। আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে আমরা সোশ্যাল মিডিয়া কি? সোশ্যাল মিডিয়ার সঠিক ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করবো। তো চলুন শুরু করা যাক।

সোশ্যাল মিডিয়া কি?

প্রথমত, এটি ইংরেজি শব্দ। যার বাংলা অর্থ হল সামাজিক মাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। অর্থাৎ তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে যেসকল মাধ্যম ব্যবহার করে একটি ভার্চুয়াল কমিউনিটি বা কৃত্রিম সমাজ গড়ে তোলা যায় তাকেই মূলত সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক মাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলা হয়। এর ব্যবহারকারীরা অন্যদের সাথে যোগাযোগের পাশাপাশি বিভিন্ন কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারে খুব সহজেই। নিজের অনুভুতি প্রকাশ করতে পারে বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে। দৈনন্দিন জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে এই প্লাটফর্ম। অসংখ্য সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম রয়েছে। তাদের মধ্যে ফেসবুক, টুইটার, লিঙ্কডিন, ইউটিউব, পিন্টারেস্ট,ইন্সটাগ্রাম,হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

 

সোশ্যাল মিডিয়ার সুফল বা উপকারিতাঃ

  • পৃথিবীর সকল মানুষের কাছে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করা যায়।
  • যোগাযোগ, তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়ার কোন জুরি নেই।
  • সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যেকোনো বিজনেসকে খুব সহজেই প্রমোট করা যায়।
  • সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ঘরে বসে অনলাইন ইনকাম করা যায়।
  • গ্রুপ বানিয়ে একসাথে সবার সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।

 

সোশ্যাল মিডিয়ার কুফল বা অপকারিতাঃ

  • সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিত্তিহীন-ভূয়া খবর তৈরি হয়।
  • নিজের পরিচয় গোপন রেখে তথ্য আদান-প্রদান করা যায় বলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রতারণার স্বীকার হয়।
  • প্রতিনিয়ত এটি ব্যবহারকারীদের মানসিক চাপ বাড়িয়ে চলেছে।
  • যারা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন তাদের মেজাজ বেশি খিটখিটে হয় ।
  • মানুষের মধ্যে অস্থিরতা বেড়ে গেছে।
  • কর্মক্ষেত্রের জন্য সমস্যা তৈরি করে।
  • সোশ্যাল মিডিয়ার দ্বারা সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে টিনেজারসরা অর্থাৎ যাদের বয়স ১৩-১৯ এর মধ্যে ৷
  • পড়াশোণার প্রতি তীব্র অনীহা, মনঃসংযোগের ঘাটতি, সমবয়সী বন্ধু-বান্ধবদের সাথে সামাজিক মেলামেশা এসব কিছুই ভীষণভাবে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে ৷
  • “সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে তরুণরা অলস হচ্ছে, কর্মক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে”।
  • সর্বোপরি সময়ের অপচয় হচ্ছে।

 

সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্যঃ

  • সামাজিক মিডিয়া ইন্টারেক্টিভ ওয়েব 2.0 ইন্টারনেট ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন।
  • ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইট বা অ্যাপের পরিষেবা জন্য -নির্দিষ্ট প্রোফাইল তৈরি করেন যা সামাজিক মিডিয়া সংস্থা দ্বারা ডিজাইন ও রক্ষণাবেক্ষণ করে।
  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অন্য সামাজিক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীগুলির সাথে ব্যবহারকারীর প্রোফাইল সংযুক্ত করে। অনলাইন সামাজিক নেটওয়ার্কগুলির বিকাশে সহায়তা করে।

 

সোশ্যাল মিডিয়ার ইতিহাস

আমরা সবাই জানি, বর্তমান যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলো বেশ জনপ্রিয়।বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলোর একটা বিপ্লব চলছে। সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলোর যাত্রা অনেক আগে থেকে শুরু হলেও মূলত ২০১০ সালে পৃথিবীজুড়ে ভালোভাবে আত্মপ্রকাশ করে। যেকোন প্রযুক্তি রাতারাতি আবিষ্কৃত হয় নি। আসলে শত শত বছরের বিভিন্ন কনসেপ্ট থেকেই সেগুলো আবিষ্কার হয়েছে। তেমনি করে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলোর আবিষ্কারের ক্ষেত্রে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। ইন্টারনেট আবিষ্কারের পর সোশ্যাল মিডিয়ার মুল ধারণা মানুষের মধ্যে আসে। প্রাচীনযুগে মানুষ চিঠিপত্র আদান প্রদানের মাধ্যমে ভাবের আদান-প্রদান করতো। তবে এক্ষেত্রে তথ্য আদান-প্রদান করতে দীর্ঘ সময় লেগে যেত। মূলত চিঠিপত্র আদান প্রদানের এই  ধ্যানধারণা থেকেই আজকের এই আধুনিক সোশ্যাল মিডিয়ার আবির্ভাব। সোশ্যাল মিডিয়ার মুল বৈশিষ্টই হল সহজতর যোগাযোগ ব্যবস্থা !

 

শুরুটা হয়েছিল ই-মেইল আদান-প্রদানের মাধ্যমে

বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়ার আবির্ভাবের শুরুটা হয়েছিল ই-মেইল আদান প্রদানের মাধ্যমে। Ray Tomlinson নামের একজন অ্যামেরিকান কম্পিউটার প্রোগ্রামার ১৯৭১ সালে প্রথম পরীক্ষামূলক ই-মেইল প্রেরন করেন। অনেকেই ধারণা করেন যে, প্রথম পরীক্ষামূলক ই-মেইল প্রেরনের মাধ্যমেই আজকের এই বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়ার আবির্ভাব হয়েছে। Ray Tomlinson এর পর Eric Thomas নামে আরেকজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার ই-মেইল আদান-প্রদানের জন্য একটি সফটওয়্যার ডেভেলপ করেন। যার নাম দেন Listserv । এই সফটওয়্যারটির বিশেষত্ব ছিল এরকম যার মাধ্যমে একটি ই-মেইল পাঠালেই নির্দিষ্ট কিছু ব্যবহারকারীর কাছে অটোম্যাটিক ভাবে সেই ই-মেইল ম্যাসেজ চলে যেত।

 

ই-মেইল আদান-প্রদানের পর, চ্যাটিং আবির্ভাব!

ই-মেইল আবিষ্কারের পরেই মূলত চ্যাটিং এর উদ্ভাবন হয়। Jarkko Oikarinen নামের একজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার ১৯৮৮ সালে প্রথম  Internet Relay Chat নামে একটি চ্যাটিং সফটওয়্যার উদ্ভাবন করেন। ইন্টারনেট রিলে চ্যাট সফটওয়্যারের  বিশেষত্ব হল যার মাধ্যমে এর ব্যবহারকারীরা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রিয়েল টাইম মেসেজ করতে পারে। ইন্টারনেট রিলে চ্যাটের মাধ্যমেই মূলত আজকের এই আধুনিক  চ্যাটিং বৈশিষ্টের যাত্রা শুরু হয়েছিল।

 

সোশ্যাল মিডিয়া সাইটের যাত্রা শুরু

১৯৮৮ সালের প্রায় ৭ বছর পর ১৯৯৬ সালে প্রথম সোশ্যাল মিডিয়া সাইটের যাত্রা শুরু হয়। প্রথম সোশ্যাল মিডিয়া সাইটের নাম হচ্ছে Sixdegrees.com। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই মূলত সোশ্যাল মিডিয়া সাইটের যাত্রা শুরু হয়। Andrew Weinreich নামের একজন অ্যামেরিকান জনৈক ব্যক্তি এই ওয়েবসাইটটি তৈরি করেছিলেন। Sixdegrees.com  ওয়েবসাইটটিতে ২টি বৈশিষ্ট্য ছিলঃ ১।  প্রোফাইল তৈরি  ২।  ফ্রেন্ড লিস্ট  ।  Sixdegrees  এর পর আসে Friendster নামের আর একটি সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট ২০০২ সালে। এই ওয়েবসাইটটি ঐ সময়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। ব্যবহারকারীদের  কাছে দ্রুত জনপ্রিয়তার হওয়ার কারনে গুগল Friendster কে ক্রয় করার প্রস্তাব দিয়েছিল। তারা তখন গুগলের  ঐ প্রস্তাবটি গ্রহণ করেনি।  পরবর্তীতে ২০১৫ সালে সাইটটিকে বিক্রি করে দেন যা এখন পুরোপুরি বন্ধ।

 

পেশাদার ব্যক্তিবর্গের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম

২০০৩ সালে লিংকডিন প্রতিষ্ঠিত হয়। পেশাদার ব্যক্তিবর্গের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম হিসেবে জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতায়  লিংকডিন প্রথম ভার্চুয়াল জগতে আসে। অনলাইন নির্ভর সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মকে পেশাদারি এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে রুপ দিতেই মূলত Linkdin এর যাত্রা শুরু হয়। বিশ্বজুড়ে ২০০ টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলগুলিতে ৭৫৬ মিলিয়ন সদস্য বিশিষ্ট বিশ্বের বৃহত্তম পেশাদার নেটওয়ার্ক এখন লিংকডিন।

 

সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম হিসেবে ফেসবুকের যাত্রা শুরুর গল্প

লিংকডিনের প্রায় এক বছর পর জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতায় Facebook ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম  হিসেবে ভার্চুয়াল জগতে আসে। ফেসবুক বর্তমানে সবথেকে বেশি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম। যদি ৮-১০ বছরের একটি বাচ্চাকেও জিজ্ঞেস করা হয় যে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা কে? এক কথায় উত্তর দিবে যে মার্ক জাকারবার্গ । কিন্তু মার্ক জাকারবার্গ একাই ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা নয় বরং তিনি তার চার বন্ধু মিলে ফেসবুক বানিয়েছিলেন। ফেসবুকের ব্যবহার প্রথম শুরু হয়েছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরবর্তীতে আশেপাশের বিভিন্ন কলেজ বা ইউনিভার্সিটিগুলোতে ফেসবুকের ব্যবহার উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম  হিসেবে ফেসবুক চালু হলেও পৃথিবীব্যাপী ২০০৬ সালে সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। প্রায় ২.৮ বিলিয়ন মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীদের সাথে, ফেসবুক বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্ক।

 

সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম হিসেবে ইউটিউবের আগমন

ইউটিউব হচ্ছে জনপ্রিয় একটি অনলাইন ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফর্ম। এই ওয়েবসাইটে মানুষ তার পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো বিষয়ের উপর ভিডিও দেখতে পারে এবং নিজে ভিডিও তৈরি করে তাতে আপলোড করতে পারে। বর্তমানে ইউটিউবের হেড অফিস আমেরিকার সান ব্রুনো, ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত । চড হারলি, স্টিভ চেন, এবং জাওয়েদ করিম যৌথ ভাবে ইউটিউব প্রতিষ্ঠা করেন ২০০৫ সালে ফেব্রুয়ারী মাসে। তারা ছিলেন মূলত পেপালের কর্মী। প্রায় ১ বছর পর যখন ইউটিউব খুব জনপ্রিয় হতে শুরু করে তখন গুগল এই ওয়েবসাইটটিকে কিনে নেয় ১.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।  ইউটিউব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। মূলত যারা ভিডিও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর তাদের জন্য ইউটিউব পেমেন্ট সিস্টেম রেখেছে। তাদের কাজ মূলত যেকোনো টপিকের উপর ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে আপলোড করা।  ইউটিউব তাদের বিজ্ঞাপন রেভিনিউ থেকে ভিডিও কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের পেমেন্ট করে থাকে। ইউটিউব দ্রুত জনপ্রিয় হওয়ার এটি একটি অন্যতম কারন। ব্যবহারকারিদের দিক থেকেও জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুলোর মধ্যে ইউটিউব অন্যতম।

 

সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম হিসেবে টুইটারের আগমন

টুইটার জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট গুলোর মধ্যে একটি। টুইটারের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০৬ সালের মার্চ মাসের ২১ তারিখ। টুইটারের প্রতিষ্ঠাতা Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass । টুইটারের হেড অফিস San Francisco, California, United States। টুইটারের মাসে বর্তমান সক্রিয় ব্যবহার কারীর সংখ্যা ৩৩০  মিলিয়ন। অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলোর থেকে ভিন্নধর্মী ফিচার এনে নজরে আসে টুইটার। শুধু ১৪০ অক্ষরের মাঝে বার্তা পোস্ট করার ফিচারের জন্য জনপ্রিয়তা পায় এটি। সেলিব্রেটিদের মাঝে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম হিসেবে টুইটারের গ্রহণযোগ্যতা বেশি।

 

জনপ্রিয় চ্যাটিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের আগমন

টুইটারের ২ বছর পরে ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং করার জন্য জনপ্রিয় অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের আগমন হয় ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ২৪ তারিখ। হোয়াটসঅ্যাপের সদরদপ্তর মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।হোয়াটসঅ্যাপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জ্যান কউম।  Whatsapp জনপ্রিয় হওয়ার মুল কারন হল এটি ইউজার ফ্রেন্ডলি এবং বিজ্ঞাপন মুক্ত। হোয়াটসঅ্যাপ ফেসবুক মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান এবং বর্তমানে বিশ্বব্যাপী এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২ বিলিয়নের প্রায়।

 

আমাদের শেষ কথা

বর্তমান বিশ্বে হাজার হাজার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওয়েবসাইট রয়েছে। নতুন নতুন ফিচার নিয়ে নতুন নতুন সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে। বর্তমান প্রজন্মের মানুষেরা এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কানেক্টেড হয়ে বিভিন্ন সোশ্যাল কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি নিজের ব্যবসায়ের প্রচার ও প্রসার ঘটাচ্ছে। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী। সকালে ঘুম থেকে উঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে কোন না কোন ভাবে কানেক্টেড। তাই সামাজিক মাধ্যমকে লেখার মাধ্যমে পুরোপুরি বোঝানো অনেক টা কষ্ট সাধ্য কাজ। দিন দিন প্রযুক্তি যেমন উন্নতি হচ্ছে ঠিক তেমনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন অনেক বৈশিষ্ট্য সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলোতে যুক্ত হচ্ছে। যা শীঘ্রই অন্যমাত্রার এক্সপেরিয়েন্স দিবে আমাদের। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে  দিন দিন। আমাদের এই পোস্টটি যদি আপনার সামান্যতম উপকারে আসে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনদের মাঝে শেয়ার করতে ভুলবেন না। হয়তো আপনার একটি শেয়ারের মাধ্যমে তারা এই পোস্টটির মাধ্যমে অনেক উপকৃত হতে পারে।

 

পরিশেষে একটি কথা বলতে চাই, সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে আপনার যদি কোন মূল্যবান প্রশ্ন বা কোন পরামর্শ থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *