টাইম ম্যানেজমেন্ট এর গুরুত্ব(The importance of time management)

টাইম ম্যানেজমেন্ট এর গুরুত্ব(The importance of time management)

আসসালামু আলাইকুম, ফ্রেন্ড’স আইটি পয়েন্ট (FriendsITpoint) এর পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই স্বাগতম। আশাকরি  আপনারা সবাই ভালো আছেন। পূর্ববর্তী পোস্টে আমরা আলোচনা করেছিলাম শিশুর মানসিক বিকাশে করনীয় বিষয় সম্পর্কে। আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় টাইম ম্যানেজমেন্ট এর গুরুত্ব(The importance of time management) এবং কিভাবে টাইম ম্যানেজমেন্ট করবেন(how to do time management)? এই সম্পর্কে। তো চলুন শুরু করা যাক।

আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ- টাইম ম্যনেজমেন্ট(Time Management)

কথায় আছে,”জীবন অনেক ছোট, কিন্তু জীবনের গল্পটা অনেক বড়”। প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে হবে। এ কথা চিরন্তন সত্য। কিন্তু তারপর ও জীবনকে এগিয়ে নেয়ার জন্য আমাদের অনেক কিছু করার প্রয়োজন হয়। জীবনে সাফল্য অর্জনের মূল মন্ত্রই হলো সময়ের সঠিক ব্যবহার। “যার কথার চেয়ে কাজের পরিমান বেশি সাফল্য তার কাছেই  এসে ধরা দেয়”। তখনই স্বপ্ন পূরন হওয়া সম্ভব যখন আপনি সময়ের মূল্য দিতে শিখবেন। কারন, যে নদীর গভীরতা যত বেশি, তার বয়ে যাওয়ার শব্দ তত কম”। জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করার কার্যকারী সূত্র হলো সময়ের সঠিক ব্যবহার।

 

ফাঁকিবাজি/অলসতা(Cheating / laziness)

আজ নয় কাল থেকে শুরু করবো, এভাবে আর কতদিন নিজেকে ফাঁকি দিয়ে আসবেন। আজ আপনি কাজ আর দায়িত্ব থেকে বাঁচার জন্য সময়কে ফাঁকি দিচ্ছেন, এভাবে সময় ও আপনাকে ফাঁকি দিয়ে আপনার কালো চুল গুলো সাদা হয়ে যাবে টের ও পাবেন না। সময় কারো জন্য বসে থাকে না। সময়ের সঠিক ব্যবহার আপনার বিষাদময় জীবন কে রঙ্গিন করে তুলতে পারে, বিপরীতভাবে সময়ের অপচয় আপনার স্বাভাবিক জীবন বিনাশ করে দিতে পারে।

 

আজকের আলোচনায় যেসব বিষয় তুলে ধরার চেষ্টা করবো

  • আমাদের জীবনে টাইম ম্যানেজমেন্টের গুরত্ব ।
  • সময় অপচয়ের ফলে আমাদের জীবনের ক্ষতিকর দিক গুলো।
  • কিভাবে সময়ের সঠিক ব্যবহার করা সম্ভব।
  • টাইম ম্যানেজমেন্ট এবং আমাদের উদ্দেশ্য।
  • টাইম ম্যানেজমেন্টের দিক নির্দেশনা ।

 

টাইম ম্যানেজমেন্টের গুরত্ব(The importance of time management):

জন্ম নেয়ার সাথে সাথে আমাদের জীবন ঘড়ি চলতে শুরু করে। একটু একটু করে আমরা বড় হতে থাকি। ধীরে ধীরে আমরা বুঝতে শুরু করি  আমাদের ভালো মন্দের বিষয়। স্কুল জীবনেই আমরা ভাবতে শুরু করি বড় হয়ে কি হব। কখনো  মনে হয় শিক্ষক হব, পুলিশ হব, ডাক্তার হব, পাইলট হব আরো অনেক চিন্তা ভাবনা আমাদের মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে। অপরদিক থেকে আমাদের সময় কমতে থাকে।

কে না চায় সুখের জীবন! আসলে বাস্তব জীবনটা এমন নয়। বাস্তব জীবনে ভালো কিছু করতে হলে  সংগ্রাম করতে হয়, নিজের মনে জেদ পুষে রাখতে হয়। একটানা পরিশ্রম করে যেতে হয়। একটু ভেবে দেখুন, জীবনে সাফল্য অর্জন করা যদি সহজ কাজ হতো তাহলে আমাদের আশেপাশের সবাই সমাজে উঁচু স্থানে বসবাস করতো।

সবাই সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে পারেনা বলেই সাফল্য সবার কাছে ধরা দেয় না। জীবনে সাফল্য অর্জনের জন্য কথার চেয়ে কাজের পরিমান বাড়িয়ে দিন, সাফল্য আপনার কাছে ধরা দিবে।

 

উদাহরনস্বরূপঃ মনে করেন আপনি দশম শ্রেনীতে পড়ছেন, এখন আপনার কাছে তৃতীয় শ্রেনীর পড়া গুলো অনেক সহজ মনে হবে। কিন্তু তৃতীয় শ্রেনীতে থাকা অবস্থায় আপনি ছিলেন লাস্ট বেঞ্চের ছাত্র।  এখন কি সম্ভব আবার আপনি তৃতীয় শ্রেনীতে  ভর্তি  হবেন, তারপর মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করবেন? এটা কখনো সম্ভব নয়।

তেমনি ভাবে প্রাপ্ত বয়সে এসে আপনি ভাবছেন আজ নয় কাল থেকে সব ঠিক ঠাক ভাবে করে ফেলবেন। তবে জেনে নিন আপনার জীবনে আগামিকাল আর আসছে না। কারন আগামিকাল ও আপনি আজকের দিনের মত গুরত্বহীণ ভাবে কাটিয়ে দিবেন।

উপরের অংশটুকু পড়ে আপনার মানসিকতার সামান্যতম পরিবর্তন ঘটলে লিখাটি আপনার জন্যই।

গতকাল টা আপনার অতীত, যেখানে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়। আগামিকাল টা আপনার ভবিষ্যৎ, যা হবে আপনার কর্মফল।

কিন্তু আজকের দিন টা আপনার নিয়ন্ত্রনে।

  • “কিছু করতে চেয়েছিলাম” এটা ভুলে যান ।
  • “কিছু করতে হবে” এ আশা ছেড়ে দিন।
  • স্বপ্ন দেখুন বড় কিছু করার, এখান থেকেই তার পিছনে লেগে থাকুন।
  • স্বপ্ন যদি হয় আকাশ ছোয়া, তাহলে পাহাড়ের চূড়া ছোয়া আপনার জন্য সহজ হবে।

 

সময় অপচয়ের ফলে আমাদের জীবনের ক্ষতিকর দিক গুলোঃ

আপনি একজন মানুষ হিসেবে, জীবনে কত কিছু করতে চান। সমাজে উঁচু স্থানে বাস করা, আরাম আয়েসের জীবন যাপন, নিজের চাহিদার পাশাপাশি পরিবারের সকলের চাহিদা পূরন করবেন, আরো কত চিন্তা ভাবনা ইত্যাদি।

কিন্তু আপনি যদি সময়কে কাজে লাগাতে না পারেন, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া, কাজে ফাঁকিবাজি করা, গান বাজনা, হৈ-হুল্লোড় যদি আপনার প্যাশন হয়ে থাকে, তাহলে উপরক্ত কথা গুলো  শুধু আপনার কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়।

 

এমন স্বপ্ন অনেকেই দেখে থাকে কিন্তু সবাই লক্ষে পৌছাতে পারেনা।

সময়ের সঠিক ব্যবহার করা হয়নি বলেই ক্লাসের first student টা আপনাকে টপকে গেছে। এখনো সময়ের সঠিক ব্যবহার করছেন না তাই অনেক সুযোগ আপনার হাতছাড়া হয়ে যাবে।

আপনি সময়ের মূল্য(The value of time) বুঝতে পারছেন না, ভালো চাকরি টাও আপনার হাতছাড়া হয়ে যাবে।  আপনি সময়কে কাজে লাগাতে ব্যর্থ মানে আপনি নিজে, আপনার পরিবার, আপনার আপনজন সবাই আপনার উপর অসন্তুষ্ট। 

সব থেকে কঠিন বাস্তবতা হলো , যখন দেখবেন, যাদের সাথে আপনি শিক্ষা জীবন অতিবাহিত করেছেন, আপনার খেলার সাথি, আপনারই সহপাঠী যখন বড় স্থানে চাকরি করছে, নিজের ক্যারিয়ারে প্রতিষ্ঠিত আছে, সবার প্রিয়পাত্র হয়ে বেঁচে আছে, তার চোখে মুখে তেমন দুশ্চিন্তা দেখা যাবে না, যেমন দুশ্চিন্তায় আপনি ভুগবেন। তখন হাজারো আফসোস করে কোন লাভ হবে না। চলে যাওয়া সময় আর ফিরে আসবে না।

 

কিভাবে সময়ের সঠিক ব্যবহার করা সম্ভব(How to use time correctly):

দিনের শুরুতে আপনি ভাবছেন আপনার হাতে অনেক কাজ, অনেক সময়। কিন্তু দিন শেষে দেখা যায়  কিছু কাজ হয়েছে , কিছু কাজ বাকি থেকে গেছে। এমন কিছু কাজ পিছিয়ে যায় যা করা  আপনার খুবই প্রয়োজন ছিলো। এমন টা হওয়ার প্রধান কারন হলো  আপনি সঠিক ভাবে টাইম ম্যানেজমেন্ট করতে পারেন নি।

১। লক্ষ্য এবং সময় স্থির করে নিন(Set goals and times)

  • প্রথমে লক্ষ্য এবং সময় স্থির করে নিন।
  • একটি দিনে আপনি কি কি কাজ করবেন তা দিনের শুরুতেই  ঠিক ঠাক করে ফেলুন।
  • এভাবেই উক্ত কাজ গুলো  দিনের পর দিন, মাসের পর মাস চালিয়ে যেতে থাকুন।
  • সফলতা অর্জন না হওয়া পর্যন্ত হাল ছেড়ে দিবেন না। জীবনে পরিবর্তন আসতে বাধ্য।

২। কাজগুলো ভাগ করে নিন(Share the tasks)

  • আপনি কাজ গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করে নিতে পারেন।
  • A সেক্টর এবং  B সেক্টর।
  • যে কাজ গুলো করা বাধ্যতা মূলক , যা আপনাকে করতেই হবে তার তালিকা A সেক্টরে করে ফেলুন। এই গুরত্বপূর্ণ  কাজ গুলো করার জন্য সময় হিসাব করে নিন। কাজের গতি বৃদ্ধির সাথে সাথে সময়ের দিকেও নজর রাখুন যেন সঠিক সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেন।
  • B সেক্টরে রাখবেন কম গুরত্বপূর্ণ কাজ গুলো । যা আপনার প্রতিদিন করা প্রয়োজন হতেও পারে নাও হতে পারে। A সেক্টরের কাজ শেষ করার পর বাকি সময় আপনি  B সেক্টরের কাজে সময় ব্যয় করতে পারেন।
  • তবে মনে রাখতে হবে A সেক্টরের  কাজ বাদ দিয়ে  B সেক্টরের কাজ করা যাবে না। আপনার প্রধান টার্গেট থাকবে A সেক্টরের কাজ আগে শেষ করা। যে মানুষ গুলো যত বেশি  A  সেক্টরের কাজ সম্পন্ন করতে পারে তারা জীবনে তত বেশি সফল হয়।

৩। আপনার সুবিধামত সময়ে কাজ করুন(Work at your convenience)

  • যে সময়  আপনি কাজে ভালো মনোযোগ দিতে পারেন তা বেঁছে নিন।
  • এ সময়ে আপনার কাজ করার উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে। আপনি চাইলে ভোর বেলা থেকে কাজের মাধ্যমে আপনার দিন শুরু করতে পারেন। কারন এ সময় পরিবেশ নিরব ও শান্ত থাকে। সকালে কাজ করা আর সফলতা যে কি মজা সেটা মিরাক্যাল মর্নিং বইটা পড়লে বুঝতে পারবেন।

৪। রুটিন অনুযায়ী কাজ করুন(Work according to routine)

  • প্রতিদিন রুটিন অনুযায়ী কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে নিয়ম ভঙ্গ করলে চলবে না। তাহলে আপনি  আপনার লক্ষ্য থেকে পিছিয়ে পরবেন।
  • শুধু কাজ বাদ দিয়ে আনন্দ অথবা আনন্দ বাদ দিয়ে কাজ কোন টাই উচিত নয়।
  • নিজেকে অবকাশ দেওয়ার জন্য সময় বের করে নিন, কারণ আমরা যন্ত্র নই।
  • লাগাতার কাজ করা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়, ঘন্টার পর ঘণ্টা কাজ করার ফলে আমাদের মাঝে ক্লান্তি ও অবসাদ দেখা দেয়। এতে উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায়। তাই সবকিছু ঠিকঠাক ভাবে করার জন্য রুটিন করা খুবই জরুরী।

৫। দিন শেষে বিশ্লেষন করুন(Analyze at the end of the day)

  • খেয়াল রাখতে হবে দিন শেষে যেন কোন কাজ বাকি না থাকে।
  • ঘুমানোর আগে অথবা কাজ শেষ করে যখন পারেন তখনি একটু হিসাব করে নেন আজকে কি কি করা প্রয়োজন ছিলো আর কি কি বাদ গেলো।
  • নিজেকে এর জন্য কঠিন কিছু বিষয় জরিমানা করতে পারেন, এতে আপনার কাজের গুরুত্ব টা প্রাধান্য পাবে।
  • সময়ের কাজ সময়ের মধ্যে করতে পারলেই নিজেকে বিনদনের জন্য সময় দেওয়া সম্ভব। তাই আমাদের স্লোগান জীবন চলুক সময়ের ছন্দে

দিন শেষে হিসাব করুন , কতটুকু আপনার কাজের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে। 

সময় হলো এমনই মূল্যবান সম্পদ যা আপনার সামনে দিয়েই চলে যায় কিন্তু ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। যদি আপনি সময় নিজের আয়ত্তে আনতে ব্যর্থ হন তাহলে সহজেই সময় আপনাকে কাবু করে ফেলবে। স্রোতে গাঁ ভাসিয়ে হাল ছেড়ে দেওয়া আপনার কখনই উচিত হবে না। কথায় আছে সময় কারো জন্য অপেক্ষা করে না।

এ পি জে আবুল কালাম,  বিল গেটস, ট্মাস আল্ভা এডিসন, বেগম রোকেয়া, কাজী নজরুল ইসলাম, এই মহান মনিষীদের কথা  আমরা সবাই জানি। তারা  কেউ ই একদিনে সাফল্য অর্জন করতে পারে নি। দীর্ঘ সময় অধ্যাবসায়ের পর তারা নিজেদের সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

এ পি জে আবুল কালাম এবং কাজী নজরুল ইসলাম দারিদ্র পরিবারে জন্ম গ্রহন করেও সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। কথায় আছে “জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো”

বিল গেটস এবং টমাস আলভা এডিসন ক্লাসের পিছিয়ে পরা ছাত্র হয়েও একজন আবিষ্কার করে ফেললেন মাইক্রোসফট ওয়ার্ড  আরেক জন আবিষ্কার করলেন বৈদ্যুতিক বাল্ব। 

আমাদের সবার জীবনে এমন হাজারো সমস্যা থাকতে পারে, সমস্যাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করলে জীবনে কিছুই করা সম্ভব নয়। আপনি একনিষ্ঠ ভাবে আপনার কাজ চালিয়ে যান সাফল্য ধরা দিলে আপনাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না।

 

টাইম ম্যানেজমেন্ট এবং আমাদের উদ্দেশ্য(Time management and our purpose):

টাইম ম্যানেজমেন্টের বাংলা প্রতিশব্দ হলো সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলা। যতদিন যাচ্ছে , আমাদের চারপাশের সবকিছুই পরিবর্তিত হচ্ছে । সময় বাচানোর তাগিতে কঠিন কাজ গুলো সহজে করার জন্য আবিষ্কার হচ্ছে নানান ধরনের যন্ত্র, যেমনঃ সেলাই মেশিন থেকে শুরু করে উড়োজাহাজ পর্যন্ত সবকিছুই আমাদের অত্যান্ত প্রয়োজনীয়। প্রকৌশলী যন্ত্র বৃদ্ধির পাশাপাশি আমাদের কাজ করার পরিমান দিনের পর দিন বৃদ্ধি পেয়েই চলেছে। সময়ের সাথে তাল মিলানোর মাধ্যমে আমাদের প্রতিদিনের কাজ সম্পন্ন হওয়া সম্ভব। সতর্কতার সাথে টাইম ম্যানেজমেন্ট করতে পারলেই আপনার জন্য সহজ হবে

  • স্বপ্ন সার্থক করে তোলা সম্ভব।
  • জীবনে লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।
  • উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাওয়া সম্ভব।
  • মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

সময়কে সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে পারলে জীবনে আপনি যা কিছু করতে চান, তা পেতে সময়ই আপনাকে সাহায্য করবে।

 

সারাংশ(Summary):

যে কোন পরিকল্পনা বাস্তবে রুপান্তরের প্রধান কৌশল হলো টাইম ম্যানেজমেন্ট(Time Management)। কাজ করার ক্ষেত্রে আপনার যদি ফাঁকিবাজি  থেকে থাকে তাহলে আপনি কখনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারবেন না। কোন দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করা আপনার পক্ষে সম্ভব হবে না। এমন অনেক উদাহরন আমাদের ধারে কাছেই আছে।

সকলের  সুস্বাস্থ্য কামনা করে আমাদের সংক্ষিপ্ত আলোচনা এখানেই শেষ করছি। ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে আমাদের পুরো পোস্টটি পরার জন্য।  

টাইম ম্যনেজমেন্ট(Time Management) নিয়ে কোনো প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে, আমাদেরকে নিচে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না।

14 thoughts on “টাইম ম্যানেজমেন্ট এর গুরুত্ব(The importance of time management)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *