টেকনিক্যাল এসইও কি (What is Technical SEO)?

টেকনিক্যাল এসইও কি (What is Technical SEO)?

আসসালামু আলাইকুম, ফ্রেন্ড’স আইটি পয়েন্ট (FriendsITpoint) এর পক্ষ থেকে আমি মোঃ সোহাগ ইসলাম। অন-পেজ অপটিমাইজেশন কি(What is on page optimization)?  এবং অফ-পেজ অপটিমাইজেশন( Off page Optimization) কি ? এই বিষয়গুলি নিয়ে আমি পূর্ববর্তী(Before) পোস্টগুলোতে  আলোচনা করেছি। আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের টেকনিক্যাল এসইও কি এবং ওয়েবসাইটে টেকনিক্যাল এসইও এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করবো। তো চলুন শুরু করা যাক।

SEO (Search Engine Optimization):

SEO এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন যেমন (Google,Yahoo,Bing) ইত্যাদি ব্যাবহার করে কোন একটা ওয়েবসাইট (Website) থেকে বেশি পরিমাণে ভিজিটর/ট্র্যাফিক নিয়ে আসা যায়। এসইও (SEO) একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া। এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় ৩ টি ধাপে । যার মধ্যে রয়েছে  অনপেজ এসইও, অফপেজ এসইও, এবং টেকনিক্যাল এসইও । আজকে আমরা জানবো টেকনিক্যাল এসইও কি (What is Technical SEO) এই সম্পর্কে।

 

টেকনিক্যাল এসইও কি (What is Technical SEO)?

টেকনিক্যাল এসইওঃ টেকনিক্যাল এসইও হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যা একটি ওয়েবসাইটকে অরগানিক র‌্যাঙ্কিং(Organic Ranking) পাওয়ার জন্য আধুনিক অনুসন্ধান ইঞ্জিনগুলির প্রযুক্তিগত প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে।

 

টেকনিক্যাল এসইও এর প্রয়োজনীয়তা (Technical SEO Requirements):

আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটে  অনপেজ এসইও(On Page SEO) এবং অফপেজ এসইও(Off Page SEO) টেকনিক সঠিকভাবে ব্যবহার করে থাকেন তার মানে এই না যে আপনি সার্চইঞ্জিন গুলোতে অবশ্যই র‌্যাঙ্ক করবেন।  এর কারণ হল আপনার ওয়েবসাইটে যদি টেকনিক্যাল এসইও রিলেটেড কোন সমস্যা থাকে বা সঠিক না থাকে তাহলে এটা নিশ্চিত যে আপনি সার্চইঞ্জিন গুলোতে র‌্যাঙ্ক করতে পারবেন না। এজন্য ওয়েবসাইট  অরগানিক র‌্যাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের টেকনিক্যাল বিষয়গুলি সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে থাকে। টেকনিক্যাল এসইও গুলোর মধ্যে রয়েছে  ওয়েবসাইট স্ট্রাকচার এবং ডিজাইন(Website structure & Design), পেজ লোডিং স্পীড (Page Loading speed), মোবাইল ইউজেবিলিটি(Mobile Usability), সাইটম্যাপ(Sitemap) সহ আরও কিছু টেকনিক্যাল বিষয়  যা এসইও এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

টেকনিক্যাল এসইও এর মূল বিবেচ্য বিষয়সমূহ (Key Considerations of Technical SEO):

  • ওয়েবসাইট স্ট্রাকচার এবং ডিজাইন (Website structure & Design)
  • পেজ লোডিং স্পীড (Page Loading speed)
  • মোবাইল ইউজেবিলিটি (Mobile Usability)
  • সাইটম্যাপ ও রোবট টেক্সট ফাইল আপলোড ( Sitemap & Robots.txt file upload)
  • এস এস এল সার্টিফিকেট (SSL certificate)
  • ফিক্সড ব্রোকেন লিংক(Fixed broken link)
  • Crawl এরর মুক্ত রাখা (Crawler error fixing)
  • ইউ আর এল স্ট্রাকচার (URL structure)
  • স্ট্রাকচার্ড ডেটা (Structured data)
  • থিন কনটেন্ট (Thin content)
  • ডুপ্লিকেট কনটেন্ট (Duplicate content)
  • ক্যানোনিকাল ট্যাগ(Canonical tags)
  • ৪০৪ পেজ এরর মুক্ত রাখা (404-page error fixing)
  • ৩০১ রিডাইরেক্ট (301 redirects)

 

ওয়েবসাইট স্ট্রাকচার এবং ডিজাইন (Website structure & Design): এখানে ওয়েবসাইটের স্ট্রাকচার ও ডিজাইন বলতে সম্পূর্ণ ওয়েবসাইটের গঠন ও কাঠামোকেই বুঝানো হয়েছে। ওয়েবসাইটকে এমন ভাবে স্ট্রাকচার এবং ডিজাইন করতে হবে  যাতে করে ভিজিটররা ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। ওয়েবসাইট স্ট্রাকচার এবং ডিজাইন যদি ভালো ও সুগঠিত হয় তাহলে ভিজিটররা আপনার ওয়েবসাইট বেশি পছন্দ করবে। আর ভিজিটররা যত বেশি আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে সার্চ ইঞ্জিনগুলিও আপনার ওয়েবসাইট  তত বেশি পছন্দ করবে এবং র‌্যাঙ্ক করতে সহায়তা করবে।

 

পেজ লোডিং স্পীড (Page Loading speed): প্রতিটি সার্চইঞ্জিনের জন্যই পেজ স্পিড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । পেজ লোডিং টাইমের উপরে কোন একটি ওয়েবসাইটের র‍্যাঙ্কিং অনেকাংশে নির্ভর করে। আর প্রতিটি সার্চইঞ্জিন এই বিষয়টি অনেক বেশি গুরুত্ব দেয় । বিশেষ করে মোবাইল পেজ স্পীড । আচ্ছা আমি ধরে নিচ্ছি,আপনার ওয়েবসাইটে অনেক ভাল মানের কন্টেন্ট আছে কিন্তু  ওয়েবসাইট লোড নিতে অনেক বেশি সময় লাগে। এক্ষেত্রে আপনি সার্চইঞ্জিন গুলোর কাছে খুব একটা সুবিধা করতে পারবেন না।  তার কারন হল আপনার ওয়েবসাইটের পেজ স্পীড ধীর গতির হওয়ার জন্য ওয়েবসাইটের কনভার্সন রেট(Conversion Rate) অনেক কমে যাবে তার সাথে ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট(Bounce Rate) অনেক বেড়ে যাবে। আপনি GTMetrix , Google Page Insight , অথবা Pingdom Website Speed Test এই রকম টুলগুলির মাধ্যমে আপনার  ওয়েবসাইটের স্পীড চেক করতে পারেন এবং এরর গুলো খুঁজে বের করে সমাধান করার পরে পেজ লোডিং স্পীড বাড়াতে পারেন।

 

মোবাইল ইউজেবিলিটি (Mobile Usability): বর্তমান সময়ে ওয়েবসাইট ভিজিট করার ক্ষেত্রে ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ  কম্পিউটারের পাশাপাশি মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করার প্রবনতা অনেক বেড়ে গেছে। তাই সার্চ ইঞ্জিন গুলো মোবাইল ফাস্ট ইনডেক্স এর অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।আপনার ওয়েবসাইট যদি  রেসপনসিভ বা মোবাইল ফ্রেন্ডলী না হয় তবে সেই ওয়েবসাইটের গ্রহনযোগ্যতা নাই বললেই চলে। শুধু ডেক্সটপ এর উপযোগী করে সাইট তৈরি করলেই হবে না সেটাকে রেসপনসিভ বা যেকোন ডিভাইসে দ্রুত লোড হওয়ার উপযোগী করে বানাতে হবে। আপনার সাইটটি মোবাইল ফ্রেন্ডলী কিনা তা দেখার জন্য Google Mobile Friendlly Test নামের টুলস টি ব্যবহার করতে পারেন।

 

এস এস এল সার্টিফিকেট (SSL certificate): কোন একটি ওয়েবসাইটকে সিকিউর বা নিরাপদ(Secure) করার জন্য SSL Certificate ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সুতরাং এটিও ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্কিং এর জন্য অর্থাৎ এসইও এর জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। SSL সার্টিফিকেট আপনার ওয়েবসাইটকে HTTP(Hypertext Transfer Protocol) থেকে HTTPS(Hypertext Transfer Protocol Secure) করে দেয় যা আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর ও কাস্টমারদের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়। একটি ওয়েবসাইটে  এস এস এল সার্টিফিকেট (SSL certificate) ইনস্টল করলে ওয়েবসাইটটিতে https কার্যকর হয়। যদি আপনার ওয়েবসাইটে  SSL সার্টিফিকেট ইনস্টল করা না থাকে তাহলে URL বারের বাম দিকে “Not Secure” একটি মেসেজ শো করবে। আর যদি আপনার  ওয়েবসাইটে SSL সার্টিফিকেট ইনস্টল করা থাকে সেই ক্ষেত্রে সেখানে একটি লক আইকন(Lock Icon) থাকবে যা ক্লিক করলে “Connection is secure” ম্যাসেজটি শো করবে। এখন প্রায় সমস্ত ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি ফ্রিতে SSL প্রদান করে থাকে। এছাড়াও আপনি চাইলে আলাদাভাবে ক্রয় করেও আপনার  ওয়েবসাইটে SSL certificate ইনস্টল করতে পারেন।

 

ফিক্স ব্রোকেন লিংক (Fixed broken link): ব্রোকেন লিংক বলতে ,আপনার ওয়েবসাইটে রেফার করা কোন লিংক যখন কাজ না করে তখন সেটাকে ব্রোকেন লিংক বলে। এসব লিংক ওয়েবসাইটের জন্য খুবই  বিপদজনক। একটি  ওয়েবসাইটে বেশী পরিমাণে ব্রোকেন লিংক থাকলে সাইট সম্পর্কে সার্চ ইঞ্জিনগুলোর একটা খারাপ মন্তব্য তৈরি হতে থাকে। যা আপনার ওয়েবসাইট র‍্যাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে এবং এর পাশাপাশি গুগল অ্যাডসেন্স এর মধ্যেও সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।  কোন একটি ওয়েবসাইটে ব্লগপোষ্টের বা পেজের সংখ্যা যত বেশি হবে ব্রোকেন লিংকের সংখ্যাও অনেকটা সেক্ষেত্রে বেড়ে যাবে। ব্রোকেন লিংক চেকার টুলস দ্বারা ব্রোকেন লিংকগুলো খুজে বের করে সেগুলো রিপ্লেস করে নিতে হয়।

 

Crawler এরর মুক্ত রাখা (Crawler error fixing): Crawler এরর বলতে, আপনার ওয়েবপেজটি সার্চইঞ্জিন বট (Search Engine Bot) ঠিকভাবে ক্রল বা ভিজিট করতে পারছে না । যার অর্থ দাড়ায় সার্চইঞ্জিন বট  আপনার ওয়েবপেজটিকে ঠিকভাবে দেখতে পারছে না ( robots.txt ফাইল দিয়ে ব্লক করে রাখলে)। সার্চইঞ্জিন বট যদি আপনার ওয়েবপেজটিকে দেখতে না পারে তাহলে তো র‍্যাংক করার  কোন প্রশ্নই আসে না। গুগল সার্চ কনসোল (Google Search Console) এর  Covarage অপশন থেকে  আপনি জানতে পারবেন আপনার ওয়েবসাইটের ক্রল এরর গুলো।  ওয়েবসাইটের Crawl এরর গুলো খুজে বের করে তা ফিক্স করা জরুরী।

 

ইউ আর এল স্ট্রাকচার (URL structure):

একটি ভাল ইউ আর এল(URL)  লেখার নিয়মসমুহঃ

  • Remove Extra Words
  • Relevant Keywords
  • Easily Readable
  • Utilize Hyphens and Underscores
  • Match URL and Titles
  • Short URL Is Best
  • Case sensitivity
  • Avoid keyword stuffing

 

স্ট্রাকচার্ড ডেটা (Structured data): কোন একটি ওয়েবপৃষ্ঠার কন্টেন্ট বোঝার জন্য সার্চইঞ্জিন(Search Engine) গুলো বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। ওয়েবপৃষ্ঠায় স্ট্রাকচার্ড ডেটা ব্যবহার করে আপনি সার্চইঞ্জিন গুলোকে ওয়েবপৃষ্ঠার মানে বুঝতে সাহায্য করতে পারেন। বিস্তারিত জানতে structured data এই লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।

 

থিন কনটেন্ট (Thin content): থিন কনটেন্ট বলতে, কোন একটি ওয়েব পৃষ্ঠায় বা ব্লগপোস্টে যদি খুব অল্প পরিমান কনটেন্ট থাকে তখন ঐ কনটেন্টগুলিকে থিন কনটেন্ট বলে। এসব কনটেন্টের ভ্যালু(value) ব্যবহারকারীদের কাছে নেই বললেই চলে। এমনকি সার্চ ইঞ্জিন গুলোর কাছেও এই কনটেন্টের কোন ভ্যালু(value) থাকে না। সর্বোপরি, গুগল(Google) এসব পৃষ্ঠাগুলি পছন্দ করে না যেগুলি কীওয়ার্ড দিয়ে স্টাফ করা থাকে ।

 

ডুপ্লিকেট কনটেন্ট (Duplicate content): ডুপ্লিকেট কনটেন্ট বলতে এমন একটি কনটেন্টকে বোঝায় যা ইন্টারনেটে একাধিক জায়গায় প্রদর্শিত হয়। যদি একই বিষয়বস্তু একাধিক ওয়েব ঠিকানায় প্রদর্শিত হয়, তাহলে আপনি ডুপ্লিকেট কনটেন্ট পেয়েছেন। প্রযুক্তিগতভাবে জরিমানা না হলেও, ডুপ্লিকেট কনটেন্ট এখনও কখনও কখনও অনুসন্ধান ইঞ্জিনের র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রভাব ফেলতে পারে। যখন একই বিষয়বস্তু একাধিক ওয়েব ঠিকানায় প্রদর্শিত হয় তখন সার্চ ইঞ্জিন গুলোর নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পরে যে কোন প্রদত্ত অনুসন্ধানের প্রশ্নের সাথে কোন সংস্করণটি বেশি প্রাসঙ্গিক ।

 

৪০৪ পেজ এরর মুক্ত রাখা (404-page error fixing): ধরুন অনিবার্য কারণ বসত আপনার ওয়েবসাইটের কোনো একটি পেজ ডিলিট হয়ে গেছে বা আপনি কোনো কারণে তা ডিলিট করে দিয়েছেন। আবার সার্চইঞ্জিন গুলি যদি ঐ পেজ বা পোস্ট টিকে ইনডেক্স করে থাকে তবে সেই ক্ষেত্রে কেউ যদি আপনার ডিলিট হওয়া পেজেটিতে বা পোস্টটিতে ভিজিট করে তাহলে সে 404 Errors বা Page not found মেসেজটি দেখতে পাবে। ওয়েবসাইটে অল্প পরিমান পেজ বা পোস্ট থাকলে সেই ক্ষেত্রে বেশি সমস্যা হয় না কিন্তু যদি আপনার ওয়েবসাইটে ২৫০-৫০০ পোস্ট থাকে সেই ক্ষেত্রে অনেক 404 Errors আসতে পারে। আচ্ছা একটু ক্লিয়ার করে বলি, কোন কারনে আপনার সাইটের একটি ব্লগপোষ্ট রিমুভ করতে হলো, কিন্তু সেই পোষ্টের করা ব্যাকলিংক বা ইন্টারনাল লিংক কিংবা সোশ্যাল সাইটে শেয়ার করা লিংক গুলো কিন্তু থেকেই গেল। যদি কোন ভিজিটর সেই রিমুভ করা লিংকে প্রবেশ(Click) করে তবে সে একটি 404 Errors বা Page not found  মেসেজটি দেখতে পায় এবং এর ফলে সেই ভিজিটর ওয়েবসাইটটি থেকে বের হয়ে যায়। যার ফলে সাইটের বাউন্স রেট বেড়ে যায় এবং ওয়েবসাইট র‍্যাংকিং বাধাগ্রস্থ করে। সুতরাং এই বিষয়টিও সতর্কতার সহিত লক্ষ্য রাখা উচিত । আপনি চাইলে এই বিষয়গুলি গুগল সার্চ কনসোল(Google Search Console) থেকে জানতে পারবেন ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

 

আমাদের শেষ কথা:

পরিশেষে একটি কথা একটি কথা না বললেই নয়, এসইও একটি চলমান প্রক্রিয়া( Ongoing process)। আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটের অনপেজ ,অফপেজ এবং টেকনিক্যাল এসইও এই বিষয়গুলির অপটিমাইজেশন পাঠটি সঠিকভাবে করতে পারেন তবে search engine result page (SERP) এ আপনার ওয়েবসাইটের ভালো অবস্থান দেখতে পাবেন আশা করি।

 

টেকনিক্যাল এসইও(Technical SEO) নিয়ে কোনো প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে, আমাদেরকে নিচে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না।

ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে আমাদের পুরো পোস্টটি পরার জন্য।

 

2 thoughts on “টেকনিক্যাল এসইও কি (What is Technical SEO)?

  1. Dear. আপনার টেকনিক্যাল এস ই ও সম্পর্কে বিস্তারিত লিখার জন্য ধন্যবাদ। এটা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম। আশা করি অনেকে উপকৃত হবে। Munju

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *