মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক কে? মোবাইল ফোনের ইতিহাস ও ইতিকথা

মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক কে? মোবাইল ফোনের ইতিহাস ও ইতিকথা

আসসালামু আলাইকুম, ফ্রেন্ড’স আইটি পয়েন্ট (FriendsITpoint) এর পক্ষ থেকে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের আজকের আলোচনার বিষয়ঃ মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক কে, মোবাইল ফোনের ইতিহাস ও ইতিকথা। চলুন জেনে আসি।

ভুমিকা

আধুনিক সভ্যতার এক যুগান্তকারী আবিষ্কার হল মোবাইল। মোবাইল ছাড়া মানুষের এখন সামান্যতম মুহূর্তও কল্পনা করা যায় না। জীবনের এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে মোবাইল তার আশীর্বাদের বারিধারা বর্ষণ করেনি। আজকের যুগ মোবাইলের যুগ। মানবজীবনকে সবদিক থেকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে নিয়েছে এ যন্ত্রটি। আবিষ্কারের পর থেকে নানা ধরনের বিবর্তন মোবাইলকে তার উপযোগিতা ধরে রাখতে সাহায্য করেছে। আপনি যদি স্কুল বা কলেজ পড়ুয়া ছাত্র বা ছাত্রী হয়ে থাকেন তবে মোবাইল ফোন রচনা লিখতেও এই পোস্টটি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে ইনশাল্লাহ।

 

মোবাইল ফোনের ইতিহাস

মোবাইলে আমরা হ্যালো তো বলি কিন্তু এর ইতিহাস টা কি জানি ?  আজ আমরা জানবো এর আবিষ্কারের ইতিহাস। জানবো মোবাইল ফোনের আদিকথা। তবে তার আগে একটা গল্প শুনাবো আপনাদের। আসলে গল্প না এটা একটা বাস্তব ঘটনা প্রায় ২৫ – ৩০ বছর আগের। আমার দাদা ঢাকায় গিয়েছিলো সেখানে গিয়েই দুই একজনের হাতে প্রথম মোবাইল ফোন দেখতে পেয়েছিলো। প্রথম মোবাইল ফোন দেখে বেশ কৌতূহল হয়েছিলো তার। একবার হাত দিয়ে ছুয়ে দেখার ইচ্ছে ও হয়েছিলো কিন্তু সেখানে তো কাউকে চেনে না, আর লজ্জায় বলতেও পারেনি। তারপর বাড়ি ফিরে আসার অনেক দিন পর শুনতে পেয়েছিলো, দাদার কোন এক বন্ধুর ভাই এসেছে ঢাকা থেকে এবং তার কাছে একটা মোবাইল ফোন ও আছে। যেই না শুনেছে ব্যস, ১০-১৫ কিলোমিটার রাস্তা হেটে গিয়েছিলো শুধু মোবাইল ফোনটি দেখার জন্য। সাথে তার মনের গভীরে যে প্রশ্নগুলো ঘুরপাক করছিলো তা প্রকাশ করার।

 

মোবাইল ফোনের নামকরণ 

মোবাইল ফোন, সেলুলার ফোন, সেলফোন, হ্যান্ড ফোন বা মুঠোফোন (ইংরেজি: Mobile phone তুর্কি:cep telefonu ) তারবিহীন টেলিফোন বিশেষ। মোবাইল অর্থ ভ্রাম্যমাণ বা “স্থানান্তরযোগ্য”। এই ফোন সহজে যেকোন স্থানে বহন করা এবং ব্যবহার করা যায় বলে মোবাইল ফোন নামকরণ করা হয়েছে।

 

মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক কে?

প্রথম মোবাইল ফোন তৈরি হয়েছিল ১৯৭৩ সালে, আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে – আর তা তৈরি করেছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মার্টিন কুপার। তাকেই বলা হয় মোবাইল ফোনের জনক। মার্টিন কুপার কাজ করতেন তখনকার এক ছোট টেলিকম কোম্পানি মটোরোলায়। কিন্তু তার স্বপ্ন ছিল: এমন একদিন আসবে যখন সবার হাতেই তার নিজস্ব ফোন থাকবে, আর সেই ফোনে যে কোন সময় তার সাথে যোগাযোগ করা যাবে।

বিবিসির লুইস হিদালগোকে মার্টিন কুপার বলছিলেন, সাধারণ মানুষের কাছে এ গল্প বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির মতো শোনাবে। কিন্তু সেই কল্পকাহিনীই আজ এক বিরাট বাস্তবতা।

প্রশ্নঃ মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক কে? উত্তরঃ ইঞ্জিনিয়ার মার্টিন কুপার।

 

মোবাইল ফোনের সূচনা  

মোবাইল ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে, ফোনটির নাম ছিল মটোরোলা ডায়না টিএসি ৮০০০এক্স । ১৯৯০ সাল থেকে ২০১১ সালের মধ্যে পৃথিবীব্যাপী মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২.৪ মিলিয়ন থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৬ বিলিয়নের বেশি হয়ে গেছে। এ বছরের শেষে ৭.৩ বিলিয়ন এর বেশি হয়ে যাবে।  

 

বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের সূচনা ও অগ্রগতি

১৯৮৩ সালে বাংলাদেশে আসে মোবাইল টেলিফোন প্রযুক্তি। তবে পথটা খুব সহজ ছিল না। আশির দশকের শেষে চালু ছিল পেজার যন্ত্র, যা কোমরের বেল্টে বেঁধে অনেকেই ঘুরতেন। ওই সময়েই, ওয়াকিটকি ধরনের একটি মোবাইল ফোনও চালু হয়েছিল বাংলাদেশে। এশিয়ার প্রথম মোবাইল অপারেটর হাচিন্সন তখন তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছে বাংলাদেশে। কিন্তু সে সময় লাইসেন্স পেলেও ঠিক মোবাইল ফোন নিয়ে বাজারে আসতে পারেনি হাচিন্সন এবং তাদের বাংলাদেশী সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিটিএল বা ‘বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড’।

১৯৮৯-৯০ সালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরের রাস্তায় দুই একজনের হাতে দেখা যেত অদ্ভুত দর্শন একধরনের যন্ত্র, যা কানে ঠেকিয়ে মানুষ কথা বলছেন দেখে মানুষজন অবাক হয়ে যেত। ১৯৮৯ সালে বেতার যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন তিন ধরনের লাইসেন্স দিয়েছিল তখনকার বাংলাদেশ সরকার।

 

মোবাইল ফোনের উপকারিতা 

মোবাইল ফোন ব্যাবহারের অনেক উপকার রয়েছে যেমন: সহজে মানুষের সাথে যোগাযোগ করা যায়, মূহুর্তেই যেকোন সংবাদ বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌছানো যায়।। এছাড়া আরো অনেক উপকার রয়েছে।। আর বর্তমানে স্মার্টফোনের উপকারিতা অনেক যেমন আমরা ঘরে বসেই অনেক কিছু দেখতে পারি, যেকোন নিউজ বা ভিডিও দেখতে পারি, জ্ঞান অর্জনেও এই ফোনটি আমরা ব্যবহার করতে পারি। এছারাও এই ছোট্র ডিভাইসটির  মাধ্যমে আমরা ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস, ভিডিও কনফারেন্স, ডেটা আদান প্রদান করে থাকি। এছারাও এখন কেনাকাটার জন্যও আমরা এই ফোনটির ই সাহায্য নেই। বাইরে যাওয়ার জন্য গাড়ি কল করতেও এটি অনেক ভুমিকা রাখে এমনকি বাসায় খাবার নেই, খাবারের অর্ডার আমরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করেই করে থাকি ইত্যাদি। আসলে বর্তমানে মোবাইল ফোনের উপকারিতা সুদূরপ্রসারী। 

 

মোবাইল ফোনের অপকারিতা

ফোনে দীর্ঘক্ষণ কথা বললে, কানে হেডফোন লাগিয়ে দীর্ঘক্ষণ গান শুনলে মানুষের শ্রবণশক্তি হ্রাস পায়। তাছাড়া ফোনে দীর্ঘক্ষণ কথা বললে তা আমাদের মস্তিষ্কে বিরূপ প্রভাব ফেলে। এতে করে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়; অস্থিরতা, অমনোযোগিতা বৃদ্ধি পায়। এত গেল মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সরাসরি মানবশরীরে সৃষ্টি হওয়া কিছু ক্ষতিকর দিক। কিন্তু সব থেকে দীর্ঘমেয়াদি যে ক্ষতিটি হয়, তা আমাদের দৃষ্টি এড়িয়ে গেছে। আমরা সবাই জানি, গ্রাহকদের মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক সুবিধা দেয়ার জন্য টাওয়ার নির্মাণ করা হয়ে থাকে। এই টাওয়ারগুলোয় বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে দুই ধরনের এন্টেনা থাকে। মূলত এই তরঙ্গের মাধ্যমেই আমরা দূরে অবস্থিত মানুষটির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে থাকি। তরঙ্গ চলার সময় তার চারপাশে ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক ফিল্ড উৎপন্ন করে আর এ থেকে তৈরি হয় ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন, যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। প্রযুক্তিতে উন্নত দেশগুলোয় গবেষণা করে দেখা গেছে হার্ট অ্যাটাক, কিডনি রোগ ও ব্রেন ক্যান্সারের রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। এর একটি উল্লেখযোগ্য কারণ হল মোবাইল ফোন। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের সংস্পর্শে আসা প্রতি ৪ জন শিশুর মধ্যে ১ জন শিশু স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ে। এই রেডিয়েশন যে শুধু মানব শরীরেরই ক্ষতিসাধন করে তাই নয়; এর ফলে টাওয়ারের আশপাশে অবস্থিত গাছপালা ও ফসলের ফলনও কমে যায়। 

 

অ্যাডিকটেড (Addicted)

মোবাইল ফোনের ব্যবহার অনেক গুরুত্বপুর্ণ হলেও এখন তা অনেকের নেশাতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে রাতে ঘুমের সময়ও খোলা থাকে, ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ, মেইল। অনেক রাত পর্যন্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারের ফলে ঘুমের ক্ষতি হয়। এক সময় তা নেশায় পরিণত হয়ে যায়। আর টান পড়ে ব্যক্তিগত সম্পর্কে সাথে মানসিক চাপও বাড়ে। সকালের ঘুম ভাঙ্গে মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে। সব কিছু মিলে মোবাইল এখন নেশা। শিশু বা বাড়ির সবচেয়ে বয়স্ক সদস্যরাও, সহজেই মোবাইলের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছেন। অনেকে আবার শিশুদের হাতে তুলে দিচ্ছেন এই মোবাইল ফোন। এতে পড়ালেখার ক্ষতি হচ্ছে। তেমনই আবার কমছে কাজের গতি।

 

মোবাইলের নেশা দূর করবেন কীভাবে ?

  • টেকনোলজির জন্য যদি স্ট্রেস বাড়ে, অশান্তি শুরু হয়, বুঝতে হবে আপনি ব্যাপারটা সামলাতে পারছেন না। তখন কাজের ও ব্যক্তিগত সময়কে আলাদা করে নিন। বন্ধু ও সহকর্মীদের জানান যে একটা সময়ের পর আর আপনাকে ফোনে, ই-মেইলে বা চ্যাটে পাওয়া যাবে না।
  • সব যোগাযোগ ছিন্ন করতে অসুবিধে হলে আলাদা ফোন রাখুন। জরুরি দরকারে যেখানে যোগাযোগ করা যাবে।
  • অবসর সময়ে মেল বা টেক্সট পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব না হলে চেষ্টা করুন নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে চেক করতে।
  • ই-বুকের পাশাপাশি বই পড়ার অভ্যাস বজায় রাখুন।
  • মোবাইলে নয় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা দেখা করে সমাধানের চেষ্টা করুন।
  • পরিবার ও নিজের জন্য রাখা সময়ে যেন টান না পড়ে তার খেয়াল রাখুন। একঘণ্টা, দু’ ঘণ্টা, যতটুকু সময়ই রাখছেন তা যেন যথাসম্ভব কম্পিউটার বা মোবাইল ফ্রি থাকেন।
  •  বিছানায় যাওয়ার আগে থেকে নেট, মোবাইল সব বন্ধ করে দিন। অনিদ্রার প্রকোপ কমবে।
  •  সপ্তাহে অন্তত এক বেলা টেকনোলজিকে যথাসম্ভব বর্জন করে যা করতে মন চায়, তাই করুন৷


মোবাইল নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য 

  • মহাকাশে যাওয়া মহাকাশচারীদের কম্পিউটারের থেকেও বেশি কার্যকরী আপনার স্মার্টফোন৷
  • টয়লেটের হাতলে যত সংখ্যক ব্যাকটেরিয়া আছে তার চেয়ে আঠারো গুণ বেশি সংখ্যক ব্যাকটেরিয়া থাকে মোবাইলে৷
  • মোবাইল হারিয়ে ফেলার ভয়কে কী বলে জানেন?  মোবাইল হারিয়ে যাবে, অনেকেই এমন অমূলক ভয় পান, একে বলে নোমোফোবিয়া৷
  • বাড়িতে থাকা কম্পিউটারে নয়, মোবাইলেই বেশি ইন্টারনেটে ব্যবহার করেন গ্রাহকরা৷
  • সমীক্ষায় প্রকাশ, প্রতিদিন একজন ব্যক্তি গড়ে শতাধিক বার মোবাইল আনলক করে৷
  • ফিনল্যান্ডে মোবাইল ছোড়া একটি জনপ্রিয় খেলা৷
  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবার মোবাইল বিক্রি হয়৷ ‌১৯৮৩ সালে চার হাজার ডলারে বিক্রি হয় প্রথম মোবাইলটি৷
  • জাপানিরা শাওয়ারের তলায় স্নান করতে করতেও মোবাইলে কথা বলেন, তাই জাপানে নির্মিত হওয়া বেশির ভাগ মোবাইলই ওয়াটারপ্রুফ৷
  • স্মার্টফোন গ্রাহকদের মধ্যে শতকরা ৬৫ শতাংশই কোনও অ্যাপ ডাউনলোড করেন না৷
  • বিশ্বে যত ব্যক্তির বাড়িতে শৌচাগার আছে তার চেয়ে বেশি মানুষ মোবাইল ব্যবহার করেন৷
  • বিশ্বের ৭০ শতাংশ মোবাইল তৈরি হয় চীনে৷ ৯৯ শতাংশ মোবাইল ভাইরাসের লক্ষ্য হল অ্যান্ড্রয়েড ফোন৷
  • বিশ্বের সবচেয়ে টাফ মোবাইল ফোন হল সোনিম এক্সপি ৩৩০০ ফোর্স৷ ৮৪ ফুট উঁচু থেকে পড়েও অক্ষত ছিল মোবাইলটি৷ এর জন্য গিনেস বুকে রেকর্ড করে মোবাইলটি।

 

মোবাইল ফোন গ্রাম উন্নয়নের হাতিয়ার  

বিশ্বের অনেক দেশের পাহাড়ি ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও ক্যাবল নেটওয়ার্ক সেভাবে পৌছায়নি। কিন্তু মোবাইল সেখানে অতিদ্রুতই পৌছে গেছে। এই জায়গা গুলোতে বসবাসকারী লোকেরা কেবল তাদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে এবং কেবলমাত্র এই ডিভাইসগুলোর মাধ্যমেই লেনদেন বিনিময় এবং তথ্য গ্রহণ ও প্রেরণ করে থাকে।

 

উপসংহার

এই ব্লগ পোস্টটির মাধ্যমে আমরা মোবাইল ফোন, মোবাইল ফোনের ইতিহাস, মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক কে, সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ কি কি এই বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি আমাদের এই ব্লগ পোস্টটি আপনার ভালো লেগেছে। আমাদের এই পোস্টটি যদি আপনার সামান্যতম উপকারে আসে তাহলে আপনার প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করবেন। যদি মোবাইল ফোন নিয়ে মূল্যবান কোন পরামর্শ থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। আমাদের পূর্ববর্তী ব্লগ পোস্ট গুলো সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন ব্লগ একাডেমীতে(Blog Academy)

 

সবশেষে রে ক্রিসওয়েল এর সেই বানীটিই বলতে হয় ; 

” মোবইল ফোন কে একটি ভুল নাম দেওয়া হয়েছে একে মানব জ্ঞানের প্রবেশ দ্বার বলা উচিৎ “

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *